বিয়ের বায়োডাটা তৈরি করুন
ফর্ম পূরণ করুন, সাথে সাথে প্রিভিউ দেখুন। তারপর PDF বা ছবি হিসেবে নামিয়ে নিন। একদম ফ্রি, রেজিস্ট্রেশন লাগবে না।
যা লিখবেন, এই ফোনেই সংরক্ষিত থাকবে
ছবি (ঐচ্ছিক)
ছবি শুধু আপনার ফোনেই থাকবে, কোথাও আপলোড হবে না।
অনেকে জেলা দেখে খোঁজেন। তাই স্থায়ী ঠিকানার জেলাটি দিন।
পুরো ঠিকানা লিখবেন না। শুধু শহর বা দেশের নাম দিন।
দিতে না চাইলে ফাঁকা রাখুন।
এটি ঐচ্ছিক। এখানে যা লিখবেন, তা ওয়েবসাইটে সবাই দেখতে পাবেন। সত্য তথ্য দিন, এতে পরে ভুল বোঝাবুঝি হয় না।
স্বভাব, পছন্দ আর লক্ষ্য নিয়ে কয়েক লাইন লিখুন। এখানে মোবাইল নম্বর লিখবেন না।
এই অংশের তথ্য আপনার PDF-এ থাকবে, ওয়েবসাইটে কখনো দেখানো হবে না। তালিকায় প্রকাশ করলে শুধু অ্যাডমিন দেখবেন, যোগাযোগ করিয়ে দিতে।
নাম আপনার PDF-এ থাকবে। ওয়েবসাইটে কখনো দেখানো হবে না।
অভিভাবকের নম্বর দিন — প্রস্তাব শুধু অভিভাবকের কাছে যাবে। বিদেশে থাকলে বাংলাদেশে থাকা পরিবারের কারো নম্বর দিন।
ফ্রি তালিকায় প্রকাশ করুন
বায়োডাটা আমাদের ফ্রি তালিকায় দিন, যাতে দ্বীনদার পরিবারগুলো আপনাকে খুঁজে পায়। নাম, মোবাইল নম্বর ও অভিভাবকের তথ্য কখনো দেখানো হবে না।
বিয়ের বায়োডাটায় কী কী লিখবেন
ভালো বায়োডাটা ছোট, পরিষ্কার আর সত্য তথ্যে ভরা থাকে। শুরুতে সাধারণ তথ্য দিন: জন্মের মাস ও বছর, উচ্চতা, গাত্রবর্ণ আর বৈবাহিক অবস্থা। এরপর ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা আর পরিবারের কথা লিখুন।
দ্বীনি জীবনের কথা স্পষ্ট করে লিখুন, যেমন নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, পর্দা বা দাড়ি। এতে মনের মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। তালাকপ্রাপ্ত, বিধবা বা বিপত্নীক হলে আগের বিয়ে আর সন্তানের তথ্য সংক্ষেপে দিন। শুরুতেই জানালে পরে ভুল বোঝাবুঝি হয় না।
সহজ ভাষায়, নিজের কথায় লিখুন। বাড়িয়ে বলবেন না, আবার দরকারি কথা লুকাবেন না। মোবাইল নম্বর শুধু ‘যোগাযোগ’ অংশে দিন, অন্য কোথাও নয়। লেখা শেষ হলে পুরো প্রিভিউ একবার পড়ে দেখুন, বানান ঠিক আছে কি না।
শেষে লিখুন কেমন জীবনসঙ্গী চান, আর অভিভাবকের নাম ও মোবাইল নম্বর দিন। ছবি দেওয়া ঐচ্ছিক। অনেক পরিবার প্রথমে ছবি ছাড়া বায়োডাটা পাঠায়, আগ্রহ হলে পরে ছবি দেয়। নমুনা দেখতে চাইলে পড়ুন: বিয়ের বায়োডাটা ফরমেট ও নমুনা।
ফ্রি PDF ডাউনলোড
ফর্ম পূরণের সাথে সাথে A4 মাপের প্রিভিউ দেখতে পাবেন। কাজ শেষ হলে এক চাপে PDF ডাউনলোড করুন। WhatsApp বা Messenger-এ পাঠাতে চাইলে ছবি (PNG) হিসেবে নামিয়ে নিন। চাইলে সরাসরি প্রিন্টও করতে পারবেন। লেখা লম্বা হলে PDF নিজে থেকেই একাধিক পাতায় ভাগ হয়ে যায়। এর জন্য কোনো টাকা বা রেজিস্ট্রেশন লাগে না, মোবাইলেই পুরো কাজ করা যায়। ফাইলের নাম আপনার নাম দিয়েই তৈরি হয়, তাই পরিবারের কাছে পাঠাতে আর খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।
আপনার তথ্য নিরাপদ
বায়োডাটা তৈরি ও ডাউনলোডের সময় আপনার তথ্য আমাদের সার্ভারে যায় না। সব তথ্য শুধু আপনার ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে, তাই পরে এসে আবার কাজ শুরু করতে পারবেন। ছবিও কোথাও আপলোড হয় না। অন্য কেউ আপনার ফোন ব্যবহার করলে কাজ শেষে ‘নতুন করে শুরু’ চেপে সব তথ্য মুছে ফেলতে পারেন।